ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে যখন
কোন মেয়ের মাসিক শুরু হয়, তখন তার পরিবার সে উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সেই অনুষ্ঠানে মেয়েটিকে পাঁচ ছয়টি ব্রাহ্মণ পুরোহিতে মন্দিরে একটি বেদীর
ওপর বসিয়ে পালাক্রমে সঙ্গম করে। একে কেন্দ্র করে মন্দিরচত্বরে মেয়েটির
পরিবার বড় করে খাবারদাবারের আয়োজন করে এবং তার কন্যাকে গণসঙ্গমের জন্য
ব্রাহ্মণ পুরোহিতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
এ বিষয়টি নিয়ে ভারতের একটি চলচ্চিত্র রয়েছে ‘মায়া’ নামে। সেখানে মায়া নামক মেয়েটিকে পুরোহিতরা মন্দিরের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করছিল আর মেয়েটি চিৎকার করছিল। মেয়েটির চাচাত ভাই বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে যখন মন্দিরের দরজা ধাক্কাতে থাকে, তখন তার বাবা তাকে ধরে মার দেয়, যেহেতু সে পুরোহিতদের ‘কাজে’ ব্যাঘাত ঘটালে ‘পারিবারিক সম্মান’ নষ্ট হবে।
মেয়েটিকে ধর্ষণ করে পবিত্র করা হচ্ছিল, আর বাইরে চলছিল ভুঁড়িভোজ। ভারত অনেক আগে থেকেই ধর্ষণের দেশ, মন্দির থেকে বেশ্যালয় সেখানে ধর্ষণে ধর্ষণে একাকার। নীচে মায়া সিনেমার উক্ত অংশটির ভিডিও দেয়া হলো। ১৪ মিনিটের ভিডিও। http://www.youtube.com/ watch?v=3JsRkfEjdos
সম্প্রতি একটি খবরে প্রকাশিত হয়েছে, ভারতে চলন্ত ট্রেনে চারঘন্টা ধরে ৯৪ জন ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেছে ট্রেনে উপস্থিত পুঙ্গবরা।
চিন্তা করুনতো পাঠকরা, একটি নয়, দুটি নয়, ৯৪টি মেয়েকে ট্রেনে চারঘন্টা ধরে মোলেস্টেড করার পরও একটি লোকও তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। বাংলাদেশে ভিড়ের মাঝে এগুলো হয়, কিন্তু তা গোপনে। প্রকাশ্যে একটি মেয়ের স্তনসহ অন্যান্য জায়গায় হাতড়ানো হবে, আর মানুষ তা চেয়ে চেয়ে দেখবে। এটা কি এদেশের কোন মুসলমান কল্পনা করতে পারে?
ইউটিউবে একটি ভিডিও রয়েছে, যেখানে ভারতে শতশত মানুষের সামনে একটি মেয়ের বুকে হাত দেয়ার পর টানাটানি করে তার পায়জামা পর্যন্ত খুলে নেয়া হয়েছে। https://www.youtube.com/ watch?v=o5jYHXeb2-o
আমরা কল্পনাও করতে পারিনা, কিন্তু আমাদের হিন্দু প্রতিবেশীরা সেটিকে বাস্তবে পরিণত করতে সক্ষম। মন্দিরে ভিড়ের মধ্যে মেয়েদের কোন জায়গায় হাত দেয়াটা জানি হিন্দুদের একটি রেওয়াজ!
কিন্তু তারপরও এসব হিন্দুদের কাছেই আপনাকে গালি শুনতে হবে। তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন খবরাদি খুটিয়ে খুটিয়ে বের করবে মুসলমানদের খোঁচানোর জন্য। বিপরীতে মুসলমানরা কিছুই করতে পারবে না, যেহেতু হিন্দুরা তাদের প্রতি যে পরিমাণে বিদ্বেষ পোষণ করে, তারা হিন্দুদের প্রতি তার ধারেকাছেও করেনা। ফলে হিন্দুদের মতো ঘৃণা উগড়ে দেয়াটা তাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। যদিও হিন্দু কেন, তাবৎ কাফিরগোষ্ঠীকে পঁচানোর মত মালমশলার কিন্তু অভাব নেই
ভারতীয় মেয়েরা ঋতুবতী হলে মন্দিরে ধর্ষণের অনুষ্ঠান করা হয়। সেখানে মেয়েরা গর্ভ ভাড়া দেয় সাদা চামড়ার নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে। সেখানে ৬০কোটি লোক খোলা আকাশের নিচে মলত্যাগ করে।
চায়নায় একসন্তান নীতির কারণে যেসব ভ্রুণের গর্ভপাত হয়, তাদের দিয়ে সুপ বানিয়ে খায় তারা। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের অধিকাংশ লোকই মানুষের গোশত খাওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
কিন্তু এগুলো নিয়ে মুসলমানরা কখনো আলোচনা করবেনা। আমাদের হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদিও কন্যাশিশু জীবন্ত কবর দেয়াটাকে ধিক্কার জানিয়েছেন, কিন্তু আমরা উনার উম্মত দাবি করে হিন্দুদের অসভ্য কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে পারিনা। উল্টো তারা যখন আমাদের ওপর সংখ্যালঘু নির্যাতনের অপবাদ দেয়, আমরা যেন শামুকের মত খোলসের মধ্যে গুটিয়ে যাই। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার প্রণীত দ্বীন ইসলাম তথা অন্যায়ের প্রতিবাদমূলক দ্বীন ইসলাম নয়, বরঞ্চ অন্যায়কারীর বেত সহ্য করতে পিঠে ছালা বাঁধাটাই হলো বর্তমান সময়ের বাঙ্গালী মুসলমানদের কথিত ‘ইসলাম’।
পরিশিষ্ট: সম্প্রতি দক্ষিণভারতে ধর্ষণ অনুষ্ঠান নিয়ে একটি স্ট্যাটাসে একজন ব্যক্তি স্ট্যাটাসের বিরুদ্ধে কমেন্ট করল। সে উল্লেখ করল, তাদের ভাল ব্যবহারের কারণে তাদের হিন্দু বন্ধু মুসলমান হয়েছে। সুতরাং তাদের অপকর্ম নিয়ে বলাবলি করাটা ঠিক নয়।
ব্যস, সাথে সাথে কমেন্টে লাইকের ফুলঝুরি ছুটল।
এসব লোকগুলো ভুলে যায় যে, আবু জেহেলকে কিন্তু শত মিষ্টি কথাতেও মুসলমান বানানো যায়নি। আর হিন্দুদের মধ্যে আবু জেহেলের সংখ্যাই কিন্তু বেশি। সেগুলো না দেখে একটি দুটি হিন্দুর মুসলমান হওয়ার কাহিনীকে কেন্দ্র করে বাঙ্গালী মুসলমান আবেগে আপ্লুত হয়। এবং এধরণের মানসিকতার জন্যই তারা পদে পদে মার খায়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

এ বিষয়টি নিয়ে ভারতের একটি চলচ্চিত্র রয়েছে ‘মায়া’ নামে। সেখানে মায়া নামক মেয়েটিকে পুরোহিতরা মন্দিরের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করছিল আর মেয়েটি চিৎকার করছিল। মেয়েটির চাচাত ভাই বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে যখন মন্দিরের দরজা ধাক্কাতে থাকে, তখন তার বাবা তাকে ধরে মার দেয়, যেহেতু সে পুরোহিতদের ‘কাজে’ ব্যাঘাত ঘটালে ‘পারিবারিক সম্মান’ নষ্ট হবে।
মেয়েটিকে ধর্ষণ করে পবিত্র করা হচ্ছিল, আর বাইরে চলছিল ভুঁড়িভোজ। ভারত অনেক আগে থেকেই ধর্ষণের দেশ, মন্দির থেকে বেশ্যালয় সেখানে ধর্ষণে ধর্ষণে একাকার। নীচে মায়া সিনেমার উক্ত অংশটির ভিডিও দেয়া হলো। ১৪ মিনিটের ভিডিও। http://www.youtube.com/
সম্প্রতি একটি খবরে প্রকাশিত হয়েছে, ভারতে চলন্ত ট্রেনে চারঘন্টা ধরে ৯৪ জন ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেছে ট্রেনে উপস্থিত পুঙ্গবরা।
চিন্তা করুনতো পাঠকরা, একটি নয়, দুটি নয়, ৯৪টি মেয়েকে ট্রেনে চারঘন্টা ধরে মোলেস্টেড করার পরও একটি লোকও তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। বাংলাদেশে ভিড়ের মাঝে এগুলো হয়, কিন্তু তা গোপনে। প্রকাশ্যে একটি মেয়ের স্তনসহ অন্যান্য জায়গায় হাতড়ানো হবে, আর মানুষ তা চেয়ে চেয়ে দেখবে। এটা কি এদেশের কোন মুসলমান কল্পনা করতে পারে?
ইউটিউবে একটি ভিডিও রয়েছে, যেখানে ভারতে শতশত মানুষের সামনে একটি মেয়ের বুকে হাত দেয়ার পর টানাটানি করে তার পায়জামা পর্যন্ত খুলে নেয়া হয়েছে। https://www.youtube.com/
আমরা কল্পনাও করতে পারিনা, কিন্তু আমাদের হিন্দু প্রতিবেশীরা সেটিকে বাস্তবে পরিণত করতে সক্ষম। মন্দিরে ভিড়ের মধ্যে মেয়েদের কোন জায়গায় হাত দেয়াটা জানি হিন্দুদের একটি রেওয়াজ!
কিন্তু তারপরও এসব হিন্দুদের কাছেই আপনাকে গালি শুনতে হবে। তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন খবরাদি খুটিয়ে খুটিয়ে বের করবে মুসলমানদের খোঁচানোর জন্য। বিপরীতে মুসলমানরা কিছুই করতে পারবে না, যেহেতু হিন্দুরা তাদের প্রতি যে পরিমাণে বিদ্বেষ পোষণ করে, তারা হিন্দুদের প্রতি তার ধারেকাছেও করেনা। ফলে হিন্দুদের মতো ঘৃণা উগড়ে দেয়াটা তাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। যদিও হিন্দু কেন, তাবৎ কাফিরগোষ্ঠীকে পঁচানোর মত মালমশলার কিন্তু অভাব নেই
ভারতীয় মেয়েরা ঋতুবতী হলে মন্দিরে ধর্ষণের অনুষ্ঠান করা হয়। সেখানে মেয়েরা গর্ভ ভাড়া দেয় সাদা চামড়ার নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে। সেখানে ৬০কোটি লোক খোলা আকাশের নিচে মলত্যাগ করে।
চায়নায় একসন্তান নীতির কারণে যেসব ভ্রুণের গর্ভপাত হয়, তাদের দিয়ে সুপ বানিয়ে খায় তারা। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের অধিকাংশ লোকই মানুষের গোশত খাওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
কিন্তু এগুলো নিয়ে মুসলমানরা কখনো আলোচনা করবেনা। আমাদের হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদিও কন্যাশিশু জীবন্ত কবর দেয়াটাকে ধিক্কার জানিয়েছেন, কিন্তু আমরা উনার উম্মত দাবি করে হিন্দুদের অসভ্য কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে পারিনা। উল্টো তারা যখন আমাদের ওপর সংখ্যালঘু নির্যাতনের অপবাদ দেয়, আমরা যেন শামুকের মত খোলসের মধ্যে গুটিয়ে যাই। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার প্রণীত দ্বীন ইসলাম তথা অন্যায়ের প্রতিবাদমূলক দ্বীন ইসলাম নয়, বরঞ্চ অন্যায়কারীর বেত সহ্য করতে পিঠে ছালা বাঁধাটাই হলো বর্তমান সময়ের বাঙ্গালী মুসলমানদের কথিত ‘ইসলাম’।
পরিশিষ্ট: সম্প্রতি দক্ষিণভারতে ধর্ষণ অনুষ্ঠান নিয়ে একটি স্ট্যাটাসে একজন ব্যক্তি স্ট্যাটাসের বিরুদ্ধে কমেন্ট করল। সে উল্লেখ করল, তাদের ভাল ব্যবহারের কারণে তাদের হিন্দু বন্ধু মুসলমান হয়েছে। সুতরাং তাদের অপকর্ম নিয়ে বলাবলি করাটা ঠিক নয়।
ব্যস, সাথে সাথে কমেন্টে লাইকের ফুলঝুরি ছুটল।
এসব লোকগুলো ভুলে যায় যে, আবু জেহেলকে কিন্তু শত মিষ্টি কথাতেও মুসলমান বানানো যায়নি। আর হিন্দুদের মধ্যে আবু জেহেলের সংখ্যাই কিন্তু বেশি। সেগুলো না দেখে একটি দুটি হিন্দুর মুসলমান হওয়ার কাহিনীকে কেন্দ্র করে বাঙ্গালী মুসলমান আবেগে আপ্লুত হয়। এবং এধরণের মানসিকতার জন্যই তারা পদে পদে মার খায়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস


এই ভিডিও গুলো Youtube থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে, আপনার কাছে থাকলে আমাকে পাঠান habibalrashid@gmail.com আমি এ করে দেব
উত্তরমুছুনএই ভিডিও গুলো Youtube.com থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে, আপনার কাছে থাকলে আমাকে পাঠান habibalrashid@gmail.com আমি Youtube এ upload করে দেব
উত্তরমুছুন